আমিরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা মৃত হযরত আলী এবং দাতা মৃত আব্দুল কাদের ও মোঃ হারুন-অর-রশিদ এরা পরামর্শ করে চিন্তা করেন যে আশে পাশে ০৫ (পাঁচটি) প্রাইমারী স্কুল থাকা সত্ত্বেও ঐ এলাকায় কোন মাধ্যমিক বিদ্যালয় নেই। তারা আরও চিন্তা করেন পল্লী নিবৃত্ত এলাকায় দরিদ্র ছেলে-মেয়েরা প্রাইমারী পাশ করার পর অনেক ছাত্র/ছাত্রী ঝড়ে পড়ে আর অনেকেই কষ্টকরে পাঁচ/ছয় কিলোমিটার দূরে গিয়ে পড়া লেখা করে। আবার অনেকে টাকা পয়সার অভাবেপড়ালেখা ছেড়ে দেয়। তারা তিনজনই সমাজ সেবক ও শিক্ষানুরাগী ব্যত্তিত্ব ছিলেন। তাদের চিন্তাভাবনা আস্তে আস্তে বাড়তে থাকে। বিদ্যালয়ের আশে-পাশে কয়েকটি গ্রামের লোকজন ডেকে
একদিন পরামর্শমূলক আলোচনা সভা করেন। আলোচনা সভায় সকলেই আমিরপুর উচ্চ বিদ্যালয়প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে ঐক্যমত পোষণ করেন এবং ঐ সভায় হযরত আলী, আব্দুল কাদের, আমিরউদ্দিন, জামাল উদ্দিন, হারুন-অর-রশিদ, আব্দুল আজিজ, শ্রী মনিন্দ্র চন্দ্র দাস, রেজাউল করিম,
ময়েজ উদ্দিন সকলেই জমি দান করার জন্য স্বীকৃতি দেন। আবার অনেকেই টাকা-পয়সা, বাঁশ,কাঠ, টিন ইত্যাদি দিয়ে বিদ্যালয়টি তৈরী করার জন্য সহযোগিতা করেন। এভাবেই বিদ্যালয়টিধনবাড়ী -নান্দিনা রাস্তার পাশ্বে বংশাই নদীর তীরে এক মনোরম পরিবেশে প্রতিষ্ঠিত হয়। তারইধারাবাহিকতায় প্রতি বছর বিদ্যালয়টি থেকে এসএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জন করেআসছে। অদ্যাবদি উক্ত বিদ্যালয়টি পল্লী নিবৃত্ত এলাকার জনগণের জন্য এক শিক্ষার আলোকবর্তিকা হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে।
